রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

উত্তাল চবি ক্যাম্পাস: শিক্ষার্থীদের টানা অবস্থান কর্মসূচি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) রসায়ন বিভাগের এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় অভিযোগে ঐ বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মতিনের স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ৫ম দিনের মত আন্দোলন করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবারবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে শিক্ষর্থীদের হাতে প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন দেখা যায় এবং স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদেরকে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিভাগের ২০১৮-২০১৯ সেশনের শিক্ষার্থী তাকি সুলতানা চৌধুরী বলেন, প্রশাসন এই ব্যাপারে অতি তারাতারি কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। প্রশাসন যতক্ষণ পর্যন্ত ধর্ষকের বিরুদ্ধে কোন উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারবে ততক্ষণ আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের আরেক শিক্ষার্থী ফারজানা আহাম্মেদ বলেন, আমরা প্রশাসনের কাছে দুইটি দাবি করছি, একটা হচ্ছে ধর্ষক মাহবুবুল মতিনকে স্থানী বহিষ্কার আরেকটি হচ্ছে প্রশাসন বাদী হয়ে ধর্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করতে হবে।
বিশ্ববদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূরুল আজিম শিকদার থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরাও চাই ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক। কিন্তু শিক্ষার্থীদের অভিযোগের সাথে সাথে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আসতে পাঁচ সাত দিন সময় লাগতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। একটা মানুষের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত শাস্তি দিতে পারি না। অভিযুক্তের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে আমরা তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে সে অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দিব।
উল্লেখ্য, গত বুধবার ৩১ জানুয়ারি দুপুরে উপাচার্য শিরীণ আখতারের কাছে এক শিক্ষার্থী নিজ বিভাগের এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে যৌন হয়রানি, যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ করেন। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন সিদ্ধান্ত না আসায় সেই শিক্ষকের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে ক্লাস বন্ধ করে দিয়ে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com